একান্ন.
বললেও মানহা কিছুক্ষণ পরে ওর ফুল প্রোফাইল আরেকটা ছবি পাঠিয়ে লিখল, এটা কি চলবে?’
‘চলবে মানে দৌড়াবে!’ অনিক হাসির ইমটিকন দিলো। তারপর জানিয়ে দিলো, ওর ছবিটা ঢোকাতে হবে হলোগ্রাফিকে। একটু সময় লাগবে। এখন অফলাইনে থাকবে।
মানহাকে অফলাইনে পাঠিয়ে সবগুলো কেবল লাগাতে গিয়ে দেখল একটা বিশেষ ধরনের কেবল ঝামেলা বাঁধিয়েছে। বিদেশী ওই কেবলটা কোনোভাবে দেশি মাল্টিপ্লাগের সকেটে ঢুকছে না। শেষ মেষ বিরক্ত হয়ে পকেটে বড়চাচীর দেয়া পাঁচশ টাকা ও সেই বিশেষ কেবলটা নিয়ে টিভি রুমে এলো। ‘আম্মু আমি একটু বাইরে বের হচ্ছি।’
আম্মু সরু চোখে অনিকের দিকে তাকালেন। আম্মুর এক চোখ তখনো হিন্দি সিরিয়ালের দিকে। অনিকের দিকে তাকানো চোখে জিজ্ঞাসু দৃষ্টি।
অনিক হাতের কেবলটা উঁচু করে আম্মুকে দেখাল। ‘বিদেশী এই বিশেষ ধরনের থ্রি-পিন আমাদের মাল্টিপ্লাগে ঢুকছে না। নতুন কিনতে হবে।’
মিসেস জেরিন আবার সিরিয়ালের দিকে চোখ দিলেন। ‘মাল্টিপ্লাগ কিনতে টাকা লাগবে না?’
‘আমার কাছে আছে আম্মু।’ অনিক আর বড়চাচীর দেয়া টাকার কথা বলল না।
আম্মু আর কথা বাড়ালেন না। সিরিয়ালের বউ শ্বাশুড়ির দ্বন্দ্বের মধ্যে ডুবে গেলেন।
(চলবে)
