বলছি কুমিকুমিরের কান্না বা কুম্ভীরাশ্রু বর্ষণ- এ ধরনের কথার সাথে আমরা বেশ পরিচিত। কুমির কি কাঁদে? কুমির কখন কাঁদে বা আদৌ কাঁদে কিনা তা ভালোভাবে জানা নেই মানুষের। তবে কুমিরের চোখে পানি আসে। কুমিরের চোখের এ পানি বা অশ্রু মানুষের মতো চোখে কিছু পড়লে বা আবেগের সময় আসে না। এ প্রাণী খাবার ধরার জন্য বা শিকার করার জন্য যখন হা করে, তখন এর চোখে পানির ফোঁটা দেখা দেয়। তার মানে এক দিকে চোখের পানি, অন্য দিকে কুমতলব বা শিকারের আকাক্সক্ষা; অন্য প্রাণীর জীবন নিয়ে খেলা। শিকার ধরার সময় কুমিরের উপরের চোয়াল বেশ খানিকটা উপরে ওঠে। চোয়াল উপরে উঠলে অশ্রুগ্রন্থির পেশিতে চাপ পড়ে। এ চাপের কারণে অশ্রুগ্রন্থি থেকে পানি বেরিয়ে চোখের কোণে অশ্রুবিন্দু জমা হয় এবং এটিই হচ্ছে কুমিরের কান্না। তার মানে খাবার ধরার সময় হা করলেই কুমিরের চোখে পানি আসে, অন্য সময় নয়।
আমরা কাঁদলে চোখের পানি পড়ে আমাদের অশ্রুগ্রন্থি থেকে। কুমিরের চোখে পানি আসে বা ঝরে ওদের অশ্রুগ্রন্থি থেকে। মানুষের অশ্রুগ্রন্থিরস বা চোখের পানি চোখ দু’টি ধুইয়ে দেয়, চোখকে সব সময় ভিজে রাখে এবং এতে চোখে কোনো জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে না। কুমিরের অশ্রুও ওই ধরনের কাজ করে। পার্থক্য শুধু চোখে পানি আসার সময়ে।
বলছি কুমিকুমিরের কান্না বা কুম্ভীরাশ্রু বর্ষণ- এ ধরনের কথার সাথে আমরা বেশ পরিচিত। কুমির কি কাঁদে? কুমির কখন কাঁদে বা আদৌ কাঁদে কিনা তা ভালোভাবে...
