বলছি শাংরিলার কথা। এটি প্রকৃতির কোলে একটি নয়নাভিরাম স্থান; প্রশান্ত পল্লীপ্রকৃতিসদৃশ। এর অবস্থান পাকিস্তানের বালতিস্তান পার্বত্য এলাকার স্কারদু শহরের কাছে। সাগর সমতল থেকে শহরটির উচ্চতা প্রায় ৮ হাজার ২০০ ফুট। স্কারদু থেকে মোটরে শাংরিলা যেতে সময় লাগে ২০ মিনিট। এখানে রয়েছে শাংরিলা রিসোর্ট আর শাংরিলা হ্রদ। হ্রদটি নিম্ন কাচুরা নামেও পরিচিত। রিসোর্টের অংশ এ হ্রদ।
শাংরিলা একটি জনপ্রিয় পর্যটক-গন্তব্যস্থল। এখানে রয়েছে একটি অনুপম রেস্তোরাঁ, যা নির্মিত হয়েছে একটি বিমান-কাঠামোর ওপর। স্কারদুর কাছে একটি বিমান দুর্ঘটনাকবলিত হয়েছিল। আর এ বিমানই ব্যবহার করা হয়েছে রেস্তোরাঁ নির্মাণের কাজে।
শাংরিলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালে। এটি স্কারদুর প্রথম রিসোর্ট হোটেল। এর নাম রাখা হয়েছিল হেভেন অন আর্থ (পৃথিবীতে স্বর্গ)। কারণ এর নজরকাড়া সৌন্দর্য আর নয়নাভিরাম শান্তিপূর্ণ পরিমণ্ডল যেন দৃষ্টিপথকে দেয় আটকে।
শাংরিলা নামটি নেয়া হয়েছে জেম্স হিলটনের উপন্যাস ‘লস্ট হরাইজন’ (হারানো দিগ্বলয়) থেকে। এ উপন্যাসের কাহিনীতে আছে, ১৯২০-এর দশকের প্রথম দিকে একটি বিমান দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে কাছের একটি নদীতে অবতরণ করে। বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা কাছের মন্দিরের বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের কাছে সাহায্য চায়। সন্ন্যাসীরা তাদের নিয়ে যান ফলে-ফুলে ঢাকা একটি মঠে। সন্ন্যাসীদের তরুণ দেখাচ্ছিল কিন্তু তারা দাবি করে যে, তাদের বয়স শত শত বছর।
শাংরিলা একটি তিব্বতি শব্দ, যার অর্থ বেহেশত। প্রতিদিন অনেক মানুষ এখানে আসে।
বলছি শাংরিলার কথা। এটি প্রকৃতির কোলে একটি নয়নাভিরাম স্থান; প্রশান্ত পল্লীপ্রকৃতিসদৃশ। এর অবস্থান পাকিস্তানের বালতিস্তান পার্বত্য এলাকার স্কারদু শহরের কাছে। সাগর সমতল থেকে শহরটির উচ্চতা...
