একষট্টি.
যন্ত্রটা ঠিকঠাকভাবে কাজ করছে দেখে অনিকের বেশ ভালো লাগল।
অনিক এবারে টাচ স্ক্রিনের উপরের প্রজেকশন লেখা বাটনে স্পর্শ করল। এবং অনিকের চোখের সামনে স্ক্রিনে দেখা দেওয়া নিজের সেই থ্রিডি ছবিটা মুহূর্তেই ভোজবাজির মতো মিলিয়ে গেল। অনিক একটু অবাক হলো। এটাই সিস্টেম কিনা দেখার জন্য সে ওটাকে ওই অবস্থায় রেখে ল্যাপটপে রাখা ম্যানুয়াল অপেন করে পড়তে লাগল। কিন্তু ওই জাতীয় কিছু লেখা আছে কিনা বুঝতে পারল না। তবে মনে হলো নিজের ছবিটা এভাবে অদৃশ্য হয়ে যাওয়াটা মনে হয় ঠিক হয়নি। যন্ত্র কি ম্যালফ্যাংশান শুরু করেছে। ওর মধ্যে কি আরেকটা ছবি দিতে হবে। মানহার পাঠানো ছবিটা দিয়ে দেখবে নাকি? না আগে নিজের ছবিটার কি অবস্থা হয় সেটাই দেখা যাক।
অনিক অপেক্ষা করতে লাগল। কোনোরকম কিছুই হলো না। ক্যামেরাযন্ত্রটার স্ক্রিন একেবারে ব্লাংক হয়ে আছে। ওদিকে প্রজেকশনটার অংশ থেকেও কোনো আলো ঘরের মধ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
অনিকের মনে হলো রুমের মধ্যে এতো এতো আলো থাকলে প্রজেকশনের আলো বোঝা যাবে কি করে? সে উঠে গিয়ে একে একে সব লাইট বন্ধ করে দিলো। কিন্তু তাতেও কোনো হেরফের হলো না। গোটা যন্ত্রটাই নিরব হয়ে বসে রইল। (চলবে)
একষট্টি.যন্ত্রটা ঠিকঠাকভাবে কাজ করছে দেখে অনিকের বেশ ভালো লাগল। অনিক এবারে টাচ স্ক্রিনের উপরের প্রজেকশন লেখা বাটনে স্পর্শ করল। এবং অনিকের চোখের সামনে স্ক্রিনে দেখা...
