পঁয়ষট্টি.
সে প্রজেকশনে নিজের ছবিটা রেখেই ল্যাপটপে ডাউনলোড করা মানহার নতুন ছবিটা ক্যামেরাযন্ত্রে আপলোড দিলো। দিয়ে প্রথমে ত্রিমাত্রিক অপশনে তারপর প্রজেকশন বাটনে স্পর্শ করে বসে রইল। একটা যখন হয়েছে আরেকটা নিশ্চয় হবে!
অনিক প্রজেকশনের দিকে তাকিয়ে রইল। তার হলোগ্রাফিক ইমেজটা স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। নিশ্চল। অনিক বুঝতে পারল না মানহার হলোগ্রাফিক ইমেজ কি ওরটা সরিয়ে ওইখানে দাঁড়াবে নাকি তার পাশে এসে দাঁড়াবে?
অনিককে অবাক করে দিয়ে একই প্রজেকশনের ভেতর দিয়ে মানহার হলোগ্রাফিক ছায়া বা অবয়ব ঠিক তার হলোগ্রাফিক অবয়বের গা ঘেঁষে দাঁড়াল। অনিক এত অভিভূত হয়ে পড়ল যে তার এখনি ইচ্ছে করছিল ছুটে গিয়ে মানহাকে ছুঁয়ে দেয়। বাস্তব জীবনে হয়তো কখনো এই ফেসবুক ফ্রেন্ডের সাথে মায়ায় ভাসা সম্ভব নয়, তবে হলোগ্রাফিক এই ছবিটাকে ছুঁয়ে মানহাকে তো একটু ছুঁয়ে দেখা যায়।
অনিক চেয়ার ছেড়ে উঠল। নিস্তব্ধ ঘরে অনিকের রকিং চেয়ারটা ক্যাঁচক্যাঁচ করে শব্দ করে উঠল। অনিকের বুকটা একটু কাঁপতে লাগল। দুরু দুরু বুকে ঘরের মধ্যে দাঁড়ানো হলোগ্রাফিক ইমেজের দিকে এগিয়ে গেল। মানহার ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে যখনই মানহার দিকে হাত বাড়িয়ে ছুঁতে যাবে তখনই বিকট শব্দে এই অঞ্চলের ট্রান্সমিটার বাস্ট হয়ে গোটা অঞ্চল ভূতুড়ে অন্ধকারে ডুবে গেল।
(চলবে)
পঁয়ষট্টি.সে প্রজেকশনে নিজের ছবিটা রেখেই ল্যাপটপে ডাউনলোড করা মানহার নতুন ছবিটা ক্যামেরাযন্ত্রে আপলোড দিলো। দিয়ে প্রথমে ত্রিমাত্রিক অপশনে তারপর প্রজেকশন বাটনে স্পর্শ করে বসে রইল।...
