আটষট্টি.

সেগুলোকিও কি ক্যামেরাযন্ত্র অফ হওয়ার সাথে সাথেই অফ হয়ে গেছে?
অনিক ইলেকট্রিসিটি আসার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। বিশেষত হলোগ্রাফিক যন্ত্রটার কি হাল হয়েছে সেটা আরেকবার চালু করে তার খুব দেখার ইচ্ছে। রাত তিনটে চারটের দিকেও কি একবার হলেও ইলেকট্রিসিটি কি আসবে না!
অনিকের হাতের মোবাইল টর্চ হঠাৎ করে অফ হয়ে গেল। কারণটা কি দেখতে গিয়ে বুঝতে পারল মোবাইলে চার্জ শেষ সীমার দিকে। অনলাইনে থাকার কারণে মোবাইল চার্জ খুব দ্রুত খেয়ে ফেলেছে। এই টুকু চার্জে আর টর্চ লাইট সাপোর্ট করবে না। বড়জোর দুএকটা কল যেতে আসতে পারে।
মোবাইল অফ করে দেয়ায় রুম অন্ধকারে ডুবে গেলেও চোখ সয়ে আসা আলোয় কাজ করার মতো দেখা যাচ্ছিল। রুম অন্ধকার হয়ে একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। ওইজা বোর্ডটা কোনোমতে হাতে ধরে বেডের উপর থেকে নিয়ে খাটের নিচে রাখতে গিয়েই ভয় লাগল অনিকের। খাটের নিচে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু যদি নিচ থেকে তার হাত টেনে ধরে। অনিক ওইজা বোর্ডটা খাটের নিচে রাখতে গিয়েই বাদ দিলো। এমনকি তাড়াতাড়ি বিছানার ওপর বসে নিচ থেকে পা তুলে বাবু হয়ে বসল। এক হাতে বন্ধ মোবাইল অন্য হাতে ওইজা বোর্ড।
(চলবে)