বাহাত্তর.
আমি বলতে চাইছি তুমি এখানে এলে কিভাবে?’
মানহার হলোগ্রাফিক মূর্তি দুদিকে মাথা নাড়ল। ‘জানি না, ঘুমিয়ে ছিলাম। তারপর দেখি তোমার এই রুমে।’
অনিকের হলোগ্রাফিক ছায়া বলল, ‘আমিও কিছু বুঝতে পারছি না। তবে যেভাবেই হোক তোমাকে দেখে আমি খুশি হয়েছি।’
‘আমি হয়নি।’
‘কেন?’
‘ঘুমানোর সময় কেউ গল্প করতে ডাকে? এজন্য। তবে এসেই যখন পড়েছি, তখন তোমার সাথে কিছুটা সময় কাটাতে আমার ভালোই লাগবে। কিন্তু সকাল হতেই চলে যাব। আব্বুর সাথে বেড়াতে যাব।’
‘আমাকেও নিয়ে যাও তোমার সাথে।’
‘সে তো তুমি ইচ্ছে করলেও যেতে পারো।’
‘না, তা পারি না। আম্মু তাহলে একা হয়ে যাবে যে। তুমি হয়তো জানো না, আমার আব্বু আমাদের সাথে এখানে থাকে না। সাইন্টিস্টি তো, গবেষণার কাজে বিদেশে থাকে।’
মানহার ছায়া আনিককে দেখিয়ে বলল, ‘এই তোমার ঘরে আর কেউ থাকে নাকি?’
‘আমাদের বাসায় দাদা দাদী চাচা চাচী অনেকেই থাকে। আর আমার সাথে আম্মু থাকেন, মানে আম্মুর সাথে আমি থাকি।’
‘না, মানে...আমি তা বোঝাতে চাইনি। তোমার রুমে আর কেউ থাকে নাকি? একটা মেয়ে? আমাদেরই বয়সী?’ (চলবে)
