তেহাত্তর.
হলোগ্রাফিক অনিক একটু লজ্জা পেল। ‘যাহ, তাই হয় নাকি? কি যে বলো আবোলতাবোলে, আমার কি বিয়ের বয়স হয়েছে নাকি? আর বিয়ে না করলে আরেকটা মেয়ে আমার সাথে কিভাবে এক ঘরে থাকবে?’
‘আরে গাধা আমি তা বলিনি। ওই দিকে তাকিয়ে দেখো, একটা মেয়ে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে, যেন আমাদের এক সাথে দেখে খুব লজ্জা পাচ্ছে।’
শুধু অনিকের হলোগ্রাফিক ছায়াই নয়, অনিকও মানহার দেখানো সেই দিকে তাকিয়ে দেখল, ওইজা বোর্ডটা ঠিক যেখানে ফেলে রেখেছিল সেখানেই মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ের অবয়ব। কিন্তু অবয়বটা ঠিক হলোগ্রাফিক উজ্জ্বল ফ্লুরোসেন্ট আলোর মতো অবয়ব নয়, কেমন যেন সাদাটে ধোঁয়ার মতো ভৌতিক অবয়ব। মানহা অবয়বটা দাঁড়ানোর ধরনে মাথা নিচু করে আছে মনে করলেও ওটা আসলে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলানোর কারণে ফাঁস লেগে ঝুকে থাকা মাথা। অনিকের চিনতে একটুও ভুল হলো না, এই মেয়েটাই সেই কাজের মেয়ে সুমি। গতকাল রাত হতে যার সাথে তার বার দুয়েক দেখাও হয়ে গেছে। কিন্তু এরকম স্পষ্টভাবে এর আগে সে কখনো দেখেনি!
অনিক তার নিজের হলোগ্রাফিক ছায়ার কথা বলতে পারে না, কিন্তু সুমিকে দেখে এমন ভয় পেয়ে অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল যে তার গলা বুক শুকিয়ে গেল। (চলবে)
তেহাত্তর.হলোগ্রাফিক অনিক একটু লজ্জা পেল। ‘যাহ, তাই হয় নাকি? কি যে বলো আবোলতাবোলে, আমার কি বিয়ের বয়স হয়েছে নাকি? আর বিয়ে না করলে আরেকটা মেয়ে...
