ছিহাত্তর.
অনিক বুঝতে পেরেছে আজ আম্মুর হাত থেকে রেহাই নেই। এখন অন্তত দু-তিনজন বন্ধু যাদের বাসায় গিয়ে দাওয়াত দিলে মান সম্মানটা বাঁচে। দাওয়াত দেওয়ার মতো এরকম কে কে আছে অনিক ভাবতে লাগল। তাছাড়া বিশেষ একটা কারণেও সে নিজেও বন্ধুদের বাসায় নিয়ে আসার পক্ষে আগ্রহী। কাসফ্রেন্ডদের দু-একজনকে সে হলোগ্রাফিক যন্ত্রের কার্যকারিতা দেখাতে চায়। জন্মদিনের রাতেই ওদের ছবি হলোগ্রাফিক ইমেজে দিয়ে ওদেরকে ভড়কে দিতে চায়, সারপ্রাইজ দিতে চায়!
আম্মুর ডাকে ঘুম থেকে উঠেই অনিক সকালের নাস্তার আগেই হলোগ্রাফিক যন্ত্রটা ট্রান্সফর্মার বার্স্টের কারণে কোন সমস্যা হয়েছে কিনা দেখতে চাইল। আম্মুকে বললও সেটা। আম্মু একটু আগ্রহী হলেন। ‘ওটা কাজ করেছিল ঠিকঠাক মতো?’
‘হু।’ অনিক উপর নিচ মাথা নাড়ল। তারপর বলল, ‘মনে হয় করেছিল। ঠিক বুঝতে পারিনি। একবার শুধু ডেমোনেস্ট্রেট করেছি। তারপরই তো ট্রান্সফর্মার বার্স্ট হলো। একবার মনে হচ্ছিল বাবা যা বলেছে তার চেয়ে বেশি কাজ করছে।’
আম্মু অনিকের বক্তব্যের দিকে বেশি মনোযোগ দিলেন না। অনিকের বন্ধুদের বাসায় অনিকের জন্মদিনের দাওয়াত দিতে যাবেন এজন্য কি ড্রেস পরে যাওয়া যায় এটা নিয়েই ভাবিত ছিলেন। বেশি জমকালো পরা যাবে না, আবার অভিজাতও হতে হবে! (চলবে)
