আটাত্তর.
‘ঠিক আছে, চালাস। তুই রেডি হ। আমার হয়ে গেল।’
অনিক জানে, আম্মু হয়ে গেল বললেও মেকাপ টেকাপ নিতে আরো ঘণ্টাখানিক লাগাবে। এই ফাঁকে নিজের রুমটা একটু চলার মতো গুছিয়ে রাখা দরকার। মশারিটশারি ফেলে একাকার অবস্থা হয়ে আছে। হঠাৎ কেউ এলে ভিমরি খাবে। আচ্ছা, লোকজন যে বলে ভিমরি খাবে? ভিমরি জিনিসটা কি? খিচুড়ির মতো কিছু? বাংলা ভাষা এত খিচুড়ি মাখানো কেন? অনেক কথার মানেই বোঝা যায় না? নাকি মানে আছে, তারা বোঝার চেষ্টা করে না?
অনিক চেঁচাল, ‘আম্মু, ভিমরি খাওয়া মানে কি?
আম্মুও চেঁচালেন, ‘কি জানি, জানি না। কথার কথা বলে আর কি? চমকে যাওয়া টাওয়া কিছু হবে। নেট থেকে গুগুল মামা কি বলে দেখে নে?’
অনিক গুগুল মামার ধার ধরল না। নিজের কাজে মনোযোগ দিলো। সব গুছিয়ে বাইরে বের হতে হতে সকাল ১১টা বেজে গেল। অনিকের বাবার টাকায় ইচ্ছে করলে ওরা একটা নিজেদের গাড়ি কিনতে পারে। কিন্তু বড় চাচার একটা গাড়ি এবং দাদার একটা গাড়ি আছে বলেই শুধু শুধু গাড়ি বাড়িয়ে মেইনটেইন খরচ বাড়ানোর কোনো দরকার নেই। তাছাড়া দাদার গাড়ির ড্রাইভার খরচসহ প্রায় সব খরচ ওরা আর মেজ চাচা বহন করে। দরকারে ওরা দাদার গাড়িটা নিয়ে বের হয়। (চলবে)
