জানো, প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ খাদ্য বা জটিল রোগের ওষুধ হিসেবে মধু ব্যবহার করছে। পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক পানীয় হিসেবেও এর সুনাম আছে।
মধু হচ্ছে ফুলের মিষ্ট অমূল্য রস, যা মৌচাকে সঞ্চিত হয়।
মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার পুষ্টিমান, যা মানবদেহের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। রাসায়নিক পরীক্ষায় জানা যায়, এতে রয়েছে বিভিন্ন খনিজ উপাদান ও ভিটামিন। মধুর প্রধান উপকরণ হলো সুগার, যার ভেতরে লেভিউলোজ ৩৯ শতাংশ, ডেক্সট্রোজ ৩১ শতাংশ, ম্যালটোজ ৯ শতাংশ, গ্লুকোজ ১ শতাংশ এবং সামান্য পরিমাণে থাকে সুক্রোজ। এতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এনজাইম ২ শতাংশ এবং মানবদেহের কোষ-কলা, অঙ্গ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপাদান থাকে। এ এনজাইমগুলো হচ্ছে- ডায়াস্টেজ, ইনভার্টেজ, সেকারোজ, ক্যাটালেক্স, পার-অক্সিডেজ, লাইপেজ। এনজাইমগুলো বিভিন্ন কালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ক্লোরিন, সালফার, ফসফরাস, আয়োডিন লবণের সাথে যুক্ত থাকে। কিছু উপকরণে রেডিয়ামের মতো ধাতব উপাদানও থাকে।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব অ্যাসিড (যেমন- ম্যালিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড, অ্যাক্সালিক অ্যাসিড), কয়েক প্রকার ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোন, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টি-বায়োটিক্স, ফাইটোনসাইডস, সাইটোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৭ দশমিক ৭ শতাংশ) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান আছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে এবং ক্যারোটিন বা ভিটামিন-এ মধুতে বিদ্যমান।
জানো, প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ খাদ্য বা জটিল রোগের ওষুধ হিসেবে মধু ব্যবহার করছে। পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক পানীয় হিসেবেও এর সুনাম আছে। মধু হচ্ছে ফুলের মিষ্ট...
