একাশি.
‘ইদানীং ও একা একা ছাদে যায়, ঘরের মধ্যে দরজা লক করে বসে থাকে?’
‘তাতে কি সন্দেহ করছেন? মানসিক কোনো সমস্যা?’
‘না ভাই, আমার কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে ও ড্রাগ ট্রাগ নিচ্ছে কিনা?’
‘সঙ্গদোষে পড়েছে নাকি? খারাপ ছেলে মেয়েদের সাথে মেশে?’
মিসেস জেরিন দুদিকে মাথা নাড়লেন। ‘খারাপ ছেলে মেয়ে কি কারোর সাথেই মেশে না। ঘরেই থাকতে পছন্দ করে। সেটাও আমার সন্দেহের একটা কারণ।’ মিসেস জেরিন গলার স্বর একটু নামিয়ে ষড়যন্ত্রীর মতো ভঙ্গিতে বললেন, ‘আমি যে ওখানে এইজন্য এনেছি সেটা বুঝতে দেবেন না। আমি ওকে ঢুকিয়ে একটা ফোন করার ছ’তোয় বেরিয়ে যাব। আপনি এই ফাকে কথাবার্তা বলে বা কোনো টেস্ট ফেস্ট করিয়ে সেটা বোঝার চেষ্টা করবেন?’
‘তা কিভাবে হবে? রক্তে ড্রাগের উপস্থিতি জানতে তো ব্লাড নিতে হবে। সেটা তো আর কথাবার্তায় হবে না।’
‘সেই পর্যায়ে গেছে কিনা সেটাই আগে বোঝার চেষ্টা করবেন। হয়তো আমিই মিছেমিছি সন্দেহ করছি!’
ডাক্তারের এরকম অভিজ্ঞতা অনেকই আছে। সেকারণেই তিনি ব্যাপারটা বুঝে নিলেন। কলিংবেল চেপে এ্যাটেনডেন্সকে অনিককে ভেতরে পাঠাতে বললেন। অনিক বাইরে বসে বসে মোবাইলে ফেসবুকিং করছিল।(চলবে)
