চুরাশি.
তার দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের খুঁটিনাটি, বন্ধুবান্ধব থাকা না থাকা, স্কুল ক্লাস শিক্ষকদের সাথে সম্পর্ক, বাবা ও মায়ের সাথে সম্পর্ক, বাবার বিদেশে থাকায় কোনো শূন্যতা, বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে সম্পর্ক, কোনো অস্বাভাবিকতা, ভয় পাওয়া, কোনো কিছু দেখা, হ্যালুসিনেশন, কোনো ড্রাগ এসব নেয়াসহ যাবতীয় বিষয়ে এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞেস করছিলেন যে অনিকের মনে হলো আম্মু হয়তো তার ব্যাপারেও কাউন্সেলিংয়ের জন্য এনেছেন। অনিক প্রথমে ভেবেছিল বলবে না কিন্তু ডাক্তারের কাউন্সিলিংয়ের প্রভাব এত চমৎকার যে অনিক শেষ পর্যন্ত ছাদে ভূত দেখা, আব্বুর পাঠানো হলোগ্রাফিক ইমেজ থেকে মানুষের প্রতিকৃতি এসবও বলে ফেলল এবং আশ্চর্যের ব্যাপার সম্পূর্ণ বিজ্ঞান মনস্ক ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ভূতের অস্তিত্বে বিশ^াস করলেন। বরং আধুনিক হলোগ্রাফিকের ব্যাপারটাই ভালো বুঝতে পারলেন না। অনিকও আর ভেঙে বলল না।
ভিজুয়াল ও অডিও হ্যালুসিনেশনের ব্যাপারে প্রায় আধঘণ্টার একটা লেকচার দিলেন ডাক্তার, যার সারমর্ম হলো, মানুষ সবচেয়ে হ্যালুসিনেশনে ভোগে ড্রাগ এডিক্টেট হয়ে পড়লে। এমনকি এলএসডি নামে একটা ড্রাগ নাকি ভয়ংকর মারাত্মক। (চলবে)
