পঁচাশি.

অনিক দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করল, কোনোরকম ড্রাগ নেওয়া তো দূরের কথা, সামান্য সিগারেটও সে কখনো বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে টেনে দেখেনি। কারণ ওর কোনো বন্ধু নেই।
ডাক্তার হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে দেখা যাচ্ছে বন্ধুবান্ধব না থাকারো কিছু ভালো দিক আছে।’
আম্মু এসে নক করে ভেতরে ঢুকলেন। ডাক্তার অনিককে কয়েকটা প্যাড আর পেন উপহার দিতে একটু বাইরে বসতে বললেন।
অনিক বেরিয়ে যেতেই ডাক্তার মিসেস জেরিনের দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বললেন, ‘আপনি অযথা যেসব ভয় পেয়েছেন তার কিচ্ছুও ওর মধ্যে নেই। ড্রাগট্রাগ ও কখনো ছুঁয়েই দেখেনি।’
‘আপনি শিওর?’
‘এই প্রফেশনে চুল পাকিয়ে ফেললাম, এখনো যদি কারোর চোখের দিকে তাকিয়ে, শরীরের অঙ্গভঙ্গি দেখে, কথাবার্তা বলে না বুঝতে পারি সে ড্রাগ এডিক্টেড কিনা তাহলে আর এই প্রফেশনে আছি কেন? তবে...’ ডাক্তার একটু থামলেন।
‘তবে কি?’
‘তবে ও অশরীরী অতিপ্রাকৃত কিছু একটা দেখে ভয় পায়। জিনিসটাকে সে ছাদে দেখেছিল, এখন নাকি নিজের রুমেও দেখেছে। তবে বলেছে রুমে যেটা দেখেছে সেটা মনে হয় ওর স্বপ্নে। আপনাদের বাড়িতে অস্বাভাবিক মৃত্যুর কোনো ঘটনা আছে কি?
মিসেস জেরিন একটু চমকে গেলেন। (চলবে)