অটাশি.

আধাঘণ্টার মধ্যেই দুজনের মধ্যে এরকম ভাব হয়ে গেল যেন তার কত জনমের পরিচিত। দুপুরে না খাইয়ে ছাড়বেই না। শুধু তাই নয়, ছেলেকে জানিয়ে দিলেন তানিম যদি অনিকের জন্মদিনে না যায়, তিনিই যাবেন। শেষমেশ তানিমও গাইগুই করে শুধু সম্মতিই দিলো না, ওর ঘনিষ্ঠ আরো দুজন বন্ধুকে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও নিল।
মিসেস জেরিন হঠাৎ অনিককে বলল, ওকে রাতে থেকে যেতে বলিস, তোর বাবা সেই হলোগ্রাফ না কি পাঠিয়েছে দেখবে?
তানিম সাথে সাথেই অনিকের পিঠ চাপড়ে বলল, হলোগ্রাফ কি রে? তোর আব্বু কি পাঠিয়েছে?
শেষমেশ অনিক তানিমের কাছে হলোগ্রাফিক ইমেজের ব্যাপারটা ব্যাখা করল, শুধু মানহাকে নিয়ে আসা আর ওইজা বোর্ডের সুমির কথাটা চেপে গেল।
তানিম উত্তেজিত স্বরে বলল, ‘রাতে থাকা কনফার্ম। আমার কিছু বিশেষ মানুষজনকে হলোগ্রাফ করাতে হবে!’
স্কুলের ক্লাসের সহপাঠীদের সাথে শুধু স্কুল টাইমে থাকা এক কথা, কিন্তু জন্মদিনের দাওয়াত পেয়ে সেই সহপাঠীরা যদি বাসায় চলে আসে তাহলে যে তাদের সাথে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় অনিক জানে না। সেরকম গাঢ় বন্ধুত্ব না থাকায় ওদের সামনে ঠিক সে সহজ হতে পারে না। ওরা অবশ্য নিজেদের মতো করে আসর জমিয়ে নিয়েছে। (চলবে)