নব্বই.
হলোগ্রাফিক ইমেজ দেখার নেশায় এবং বেশি রাতে বাড়ি যাওয়ার ঝামেলায় না যাওয়ায় তামিম, লিখন আর সেতু রাতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।
অনিক খাওয়া দাওয়ার আয়োজন দেখে শুনে দাদা-দাদী চাচা-চাচী ফুপাদের সাথে কথা বলে নিজের রুমে এলো। অনিকের বন্ধুরা কয়েকজন ওর বিছানায় বসেছে, চেয়ার, টুল টেনে নিজেদের মধ্যে গোল হয়ে কিছু একটা করছে। কোনো একটা ডিজিটাল খেলা, সবাই তাদের স্মার্ট ফোন বিছানার উপরে রেখেছে। সেখানে একটা গেমই চলছে। এবং ব্যাপারটা হয়তো বাজি ধরা বা বিট কয়েনের মতো কোন কিছু। যেখানে পয়েন্ট কেনা বেচা চলে। অনিক এই জাতীয় গেমসের কথা শুনেছে। তবে কখনো খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। অনিক ঢুকতেই তামিম ওর দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে বলল, ‘আমাদেরকে এখনই খেতে ডাকিসনে। আগে অন্য পার্টি খেয়ে দেয়ে হালকা হয়ে নিক।’
রাকিব একটা পয়েন্ট বিক্রি করে দিতে দিতে বলল, ‘এরকম বার্থডে পার্টিতে এসে কোনো মজা নেই। পটানোর মতো ----।’
দেখা গেল রাকিবের মতো খাওয়া হলে চলে যাওয়ার দল ভারী বেশি। তাতে অনিক খুশিই হলো। এদের সাথে এখনো সময় কাটাতে সে অস্বস্তিবোধ করছে। সারারাত থাকলেই হয়েছে।
বুফে সিস্টেমের খাওয়া দাওয়া ও ফটোসেশনের পালা শেষ হলে অন্য অতিথিদের মতোই অনিকের বন্ধুরা একে একে বিদায় নিল। (চলবে)