চুরানব্বই.
অনিক বলল, ‘যাহ, ওসব বাদ দাও। তোমাদের মোবাইল দাও। ওটাই ল্যাপটপে কানেক্ট করে ছবি নিয়ে নিই।’
তামিম হলোগ্রাফিক ইমেজে দেওয়ার জন্য একটা ফুলসাইজ ছবি আগেই বাছাই করে রেখেছিল। সে মোবাইলে সেই ছবিটা বের করে অনিকের হাতে দিতে দিতে বলল, ‘একবারে কি একজনকেই হলোগ্রাফিক করে, নাকি দুজনকেও করা যায়?’
‘মনে হয় না যায়, ওরকম কোনো অপশন তো দেখিনি। আগে তো একজন করেই করেছি।’
‘তাহলে ভালো হতো। হলোগ্রাফিক ইমেজে আমি আর সেতু একটু ঘুষোঘুষি করতাম!’
অনিক হাসল। এ পর্যন্ত সে শুধু তার নিজেকে আর মানহাকেই হলোগ্রাফিক ইমেজ করেছে। র্যান্ডম করার সিস্টেম নেই। ম্যানুয়েলেই আছে, প্রাথমিকভাবে তৈরি এই হলোগ্রাফিক যন্ত্রের ইমেজ তৈরি এবং ধারণক্ষমতা সীমিত। বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করলে ইমেজ ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হবে।
অনিক সব সেটআপ করে দিয়ে রুমের পর্দা টেনে সব আলো অফ করে দিলো। এমনকি ল্যাপটপের স্ক্রিনের আলোও একটা কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দিলো। তারপর তামিমের ডিজিটাল ছবিটা দিয়ে স্টার্ট বাটনে টাচ করল। তিন জনই ঘরের দেয়াল ও মাঝখানের ফাঁকা জায়গার অন্ধকারের মধ্যে তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। (চলবে)