একশত তিন.
সেও হাসিতে যোগ দিলো, যদিও এইসব দৃশ্যে এত হাসির কী আছে বুঝতে পারছিল না।
মুভি শেষ হতে হতে রাত ৩টার মতো বেজে গেল। এবারে আর শুয়ে না ঘুমালে চলে না। অনিক ওদের দুজনকে সাথে করে গেস্ট রুমে নিয়ে গেল। মা সব গুছিয়ে দিয়ে গেছেন। অনিক বেরিয়ে যাওয়ার সময় বলল, লাইটের সুইচ কি অফ করে দিয়ে যাব?
‘না, আলো জ¦ালানোই থাকুক। আলো থাকলে ভূত আসতে পারবে না।’
অনিক অবশ্য নিজের রুমে এসে ল্যাপটপ, হলোগ্রাফ, লাইট সবই অফ করে দিয়ে শুয়ে পড়ল। রুম অন্ধকার না করলে তার ঘুম আসে না।
অন্ধকার মশারির মধ্যে ঢুকে শুয়ে পড়তেই অনিকের মনে হলো রুমের মধ্যে রুপালি নীলচে আলো খেলা করছে। দূর থেকে জানালার কাচের মধ্য দিয়ে কেউ যদি লেজার লাইট দিয়ে কোনো ইমেজ পাঠায় তাহলে যেমনটি হয় তেমন। তবে লেজার লাইটের ইমেজ লাল রঙের হয়, নীলচে রুপালি নয়।
গুগাবাবার সেই ভূতের মতো যেন নীলচে রুপালি আলোর সংখ্যা বাড়তে লাগল। প্রথমে একটা, তারপর তারপাশে একটা মেয়েলি ইমেজ, তারপর তার পাশে একটা, তারপর তার পাশে আরো একটা। অনিক ভেবেছিল এই হলোগ্রাফিক ইমেজ আরো বাড়তেই থাকবে। কিন্তু যখন চারটের পরে আর বাড়ল না তখন বুঝতে পারল এই চারটে ইমেজ কাদের এবং এরা কারা। (চলবে)
