একশত নয়.
কফিশপ ভরদুপুর বলেই বোধ হয় কিছুটা নির্জন, মানুষ সাধারণত বিকালেই কফি পান করতে পছন্দ করে।
অর্ডার দেওয়ার জন্য কফিবয় আসতেই মানহা অনিকের দিকে তাকিয়ে স্মার্টলি জিজ্ঞেস করল, কফির সাথে আর কিছুর অর্ডার দেব?’
অনিক তখনো ধাতস্থ হয়ে পারেনি। সে তোতলানো গলায় বলল, ‘পানি!’
মানহা হেসে ফেলল। আর তাতেই অনিক যেন সহজ হলো। মানহার সাথে তার শুধু যে চ্যাটেই কথা হয়েছে তা নয়, হলোগ্রাফিক ইমেজেও কথা হয়েছে, বন্ধুত্ব হয়েছে, এর সামনে এত ঘাবড়ানোর কিছু নেই, ফ্রেন্ডদের মতো কথা বললেই হবে।
কফিতে সিপ করতে করতে ঘণ্টাখানেক কথা বলার মধ্যেই অনিকের মানহার সাথে বন্ধুত্ব বেড়ে গেল যেন সে জনম জনমের বন্ধু এবং এই কথোপকথনের মধ্যেই মানহা অনিকের পরিবার, বাবা-মা দাদা-দাদী চাচা-চাচী, চাচাত ভাইয়ের বিয়ে সব সমন্ধেই জেনে গেল। এমনকি অনিক শিহাব ভাইয়ের বিয়েতে মানহাকে অগ্রিম বিয়ের দাওয়াত দিয়েও রাখল। বিদেশ থেকে সাইন্সিস্ট বাবার পাঠানো হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর, ইমেজ, সেতু তামিমের কথাও বলল, শুধু সুমির কথাই সে এড়িয়ে গেল। হঠাৎ করে মানহা জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা সুমি কে?
(চলবে)
