একশত দশ.
অনিক এত চমকে উঠলে যে সেই চমকানি মানহার নজর এড়াল না। সে অনিকের কাছ থেকে কিছু শোনার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল। অনিকও এত অবাক হলো যে বলবার নয়। মানহার সাথে চ্যাটে হলোগ্রাফিক ইমেজ নিয়ে কথা হলেও কখনো সুমির কথা বলা হয়নি, সুমির নাম ঘুণাক্ষরেও উচ্চারণ করেনি কখনো সে। তাহলে মানহা সুমির নাম জানল কী করে? তাহলে কি মানহার হলোগ্রাফিক ইমেজের সাথে তার হলোগ্রাফিক ইমেজের যে কথা হয়েছিল সেখান থেকে। সে তো তো করে আমতা আমতা করে বলল, ‘সুমির কথা তুমি জানলে কী করে?’
‘তা ঠিক বলতে পারব না। তোমার সাথে কথা বলতে বলতে হঠাৎ করে সুমির কথা মনে হলো। আবছা আবছা ভাবে যেন দেখতে পেলাম একটা মেয়ে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এবং আমার মনে হলো ওই মেয়েটাই সুমি। কেন কিভাবে মনে হলো এর ব্যখ্যা আমি দিতে পারব না। শুধু হঠাৎ করে মাথায় এলো এই যা!’
অনিক দ্বিধায় পড়ে গেল। মানহার সাথে কি সুমির আত্মহত্যা, ছাদে তার ডিলুইশন এসব নিয়ে কথা বলা ঠিক হবে? যদিও মানহার সাথে সরাসরি এখন দেখা হলেও মানহার সাথে তার বন্ধুত্ব অনেক আগের। অনিক ইতস্তত করে বলল, ‘সুমির ব্যাপারটা আমি ঠিক জানি না। (চলবে)