একশত এগার.
তবে কোনো একটা রহস্য আছে।’
রহস্যের গন্ধ শুনে মানহা চনমনে হয়ে উঠল। মৃদু গলায় বলল, ‘বল না, কি সে রহস্য!’
‘আরে ধুৎ কি বলছ। সুমি আমার বড় চাচার বাসায় থাকত। হাউজমেইড। মারা গেছে।’
এবার মানহা আঁতকে উঠল। তার মুখের সেই দুষ্টুমিভাব উধাও হয়ে গেল। অল্পবয়সী একটা মেয়ে মারা গেলে তাই নিয়ে দুষ্টুমি চলে না, তাই হোক না সে কাজের মেয়ে! সে দুঃখিত গলায় বলল, ‘সরি, বুঝতে পারিনি।’ তারপর কৌতূহলী গলায় বলল, ‘তা কিভাবে মারা গেল?’
‘আত্মহত্যা মানে সুইসাইড। তবে...’ অনিক কথা শেষ করল না।
‘তবে কি? সুইসাইড হলো সুইসাইড এর মধ্যে তবে কি?’ মানহা সামনের দিকে ঝুকে এলো। রহস্যের গন্ধ পেয়েই যে সে আবার দুকাপ কফি অরডার দিলো।
‘আমার কেন জানি মনে হয় সুমি সুইসাইড করেনি, এর পেছনে অন্য রহস্য লুকিয়ে আছে।’ অনিক ইতস্তততা ঝেড়ে ফেলে মানহাকে প্রথম থেকেই সব বলার সিদ্ধান্ত নিলো।
‘তুমি বলছ সুমি সুইসাইড করেনি, তার মানে কেউ মেরে সুইসাইড হিসাবে সাজিয়েছে?’ মানহা রহস্যের গন্ধ পেল, ‘এরকম আমি অনেক থ্রিলার গল্প পড়েছি, থ্রিলার মুভিতে দেখেছি। কিন্তু তার আগে বলো সুমি সুইসাইড করেনি এটা তোমার কিভাবে মনে হলো।’ (চলবে)
একশত এগার.তবে কোনো একটা রহস্য আছে।’রহস্যের গন্ধ শুনে মানহা চনমনে হয়ে উঠল। মৃদু গলায় বলল, ‘বল না, কি সে রহস্য!’‘আরে ধুৎ কি বলছ। সুমি আমার...
