একশত বারো.
‘আমি ওইজা বোর্ড দিয়ে সুমির আত্মা নামিয়েছিলাম, সেখান থেকেই মনে হলো সুমি যেন আমাকে কিছু একটা বলতে চায়, কিন্তু বলতে পারছে না।’
এই দুপুরবেলাতেও মানহার গা শিরশির করে উঠল। ওইজা বোর্ড দিয়ে ভূত নামানো, কি রোমাঞ্চকর ব্যাপার স্যাপার!
‘তুমি ব্যাপারটা আমাকে প্রথম থেকে বলো তো। সুমির সুইসাইডের ঘটনা কি?’
অনিক ছাদে গিয়ে হ্যালুসিনেশনের মতো সুমির সুইসাইডাল অবয়ব ঝুলতে দেখে ভয় পাওয়া, বড় চাচীর সুমির সুইসাইডের কথা শুনে আঁতকে উঠা, কিপ্টে বড়চাচীর তার মুখ বন্ধ রাখার জন্য পাঁচশ টাকা ঘুষ দেওয়া, সুমির ব্যাপারে সবার মধ্যেই ঢাক ঢাক গুড় গুড় যেন সবাই সবকিছু জানে, কিন্তু কেউ কিছু জানাতে চায় না। তাছাড়া সুমি যদি আত্মহত্যাই করে থাকবে তাহলে বড় চাচা তার পরপরই শিহাব ভাইকে বিদেশে পাঠিয়ে দেবেন কেন আর সুমির পরিবারের সাথে লাখ টাকায় রফা করবেন কেন? কেন থানায়ও লাখ লাখ টাকা ঘুষ খাওয়াবেন?
‘আমার কি মনে হয় জানো? তুমি কি তোমার হলোগ্রাফিকে সুমিকে আনতে পারো না?’
অনিক দুদিকে মাথা নাড়ল। হলোগ্রাফিক প্রজেক্টেরে ইমেজ আনতে গেলে ছবি ইনপুট করতে হয় তাই সে ডিজিটাল ছবি হোক আর অ্যানালগ ক্যামেরায় তোলা প্রিন্ট ছবি হোক, কিন্তু সুমির কোনো ছবি নেই।’ (চলবে)
একশত বারো.‘আমি ওইজা বোর্ড দিয়ে সুমির আত্মা নামিয়েছিলাম, সেখান থেকেই মনে হলো সুমি যেন আমাকে কিছু একটা বলতে চায়, কিন্তু বলতে পারছে না।’এই দুপুরবেলাতেও মানহার...
