(গত দিনের পর)
পরদিন অন্য সখিদের নিয়ে হিনা রওয়ানা হয় মৎস্য দেবতা বৃদ্ধ হিরোর কাছে। দূরে অন্য একটি দ্বীপে তার বাস। বয়সে ন্যুব্জ তিনি তখন ধ্যানমগ্ন ছিলেন। এমন সময় হিনা উপস্থিত হয় মৎস্য দেবতার কাছে। তাদের আসার হেতু জানতে পেয়ে বৃদ্ধ হিরো তো রেগে ফেটে পড়েন। ‘এত বড় স্পর্ধা! মনুষ্যকুলের এক মেয়ের সাথে বাইন কুমারের প্রেম। এটা সম্ভব! বাইন কুমারের এই সাহস কোত্থেকে হলো। এ আবদার কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এর শাস্তি বাইন কুমারকে পেতেই হবে। ভয় নেই মা, হিনা তোমার। বাইনকে শাস্তির ব্যবস্থা করছি আমি।’
মৎস্য দেবতা হিরো তখন হিনার মাথা থেকে একগাছি সোনালি চুল তুলে নেন। সেই চুলগাছি দিয়ে তিনি একটি বর্শি পাতেন সাগরের জলে। এর কিছুক্ষণ পরেই বর্শিতে গেঁথে উঠে আসে হিনার পাণিপ্রার্থী সেই ‘প্রিন্স অব ইল’, অর্থাৎ বাইন কুমার। (চলবে)
(গত দিনের পর)পরদিন অন্য সখিদের নিয়ে হিনা রওয়ানা হয় মৎস্য দেবতা বৃদ্ধ হিরোর কাছে। দূরে অন্য একটি দ্বীপে তার বাস। বয়সে ন্যুব্জ তিনি তখন ধ্যানমগ্ন...
