একশত চৌদ্দ.
‘ছবি না পেলে সুমির বাবা মাকে খুঁজে বের করতে হবে। বাবা-মার কাছে মেয়ের কোনো ছবি না থেকেই পারে না!’ মানহা খুব আত্মবিশ^াসের সাথে বলল।
দেখতে দেখতে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেল। ওরা দুজনে ওখানেই লাঞ্চ করে নিল। মানহা পুরো বিলটাই দিতে চেয়েছিল কিন্তু অনিকের জোরাজুরিতে পারল না। কফি শপ থেকে বেরিয়ে দেখল দুপুর গড়িয়ে বিকাল নামতে শুরু করেছে। মানহার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে অনিক বাসায় এসে দেখল, অফিস থেকে বড় চাচা ফিরে এসেছেন। বড় চাচার ঘরের দরজা খোলা। তখনই অনিকের মাথায় বুদ্ধিটা খেলে গেল। বড় চাচা থাকা অবস্থায় একবার বড় চাচাদের ঘরে ঢুকে চুপটি করে লুকিয়ে পড়তে পারলে হলো। তারপর বড় চাচা বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বেরিয়ে যাবে। সেই সময়টাতে সে সুমির ছবি খুঁজবে। বড় চাচী ফিরলে দরজা খুলবে, তখন এক ফাঁকে বেরিয়ে পড়লেই হলো।
অনিক বড় চাচার দরজা নক করল। বড় চাচা দরজা খুলে দিয়ে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালেন। তারপর যেন মনে পড়ছে এরকমভাবে বললেন, ‘তুমি বাসায়? মেয়ে দেখতে যাওনি?’
ততক্ষণে অনিক ড্রয়িংরুমের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। ‘না চাচা, আমার ওসব ভালো লাগে না।’
(চলবে)
