একশত পনেরো.

‘আমারও।’ বড় চাচা বেডরুমের দিকে যেতে যেতে বললেন। ‘তাছাড়া আজ আমার একটা মিটিং ছিল, সেটায় এটেন্ড করতে হয়েছে। আর বিয়েটা তোর চাচীর ইচ্ছেয় হবে। আগে মেয়ে সেই দেখুক। আর ওই মেয়ে আমি আগেও দেখেছি। বলতে গেলে আমার এক বন্ধুরই মেয়ে।’
‘শিহাব ভাইয়ার একটা ইলেকট্রনিক্স ক্যালকুলেটর ছিল, ওটা নিতে এসেছি। কাজ শেষ হলে আবার দিয়ে যাব। আমারটা কাজ করছে না।’
‘ঠিক আছে। শিহাবের রুম থেকে নিয়ে যা।’ বড়চাচা বেডরুম থেকে বললেন।

অনিকের ক্যালকুলেটরের কোনো দরকার ছিল না, তারটা ঠিকই আছে। তবুও সে শিহাব ভাইয়ার রুমে গেল। সাজানো গোছানো জিনিস থেকে ক্যালকুলেটারটা তুলে নিয়ে শব্দ করে বেরিয়ে দরজার কাছে এলো। দরজা খোলার শব্দ করল, তারপর চেচিয়ে বলল, ‘চাচা, আমি গেলাম, দরজা টেনে দিয়ে যাই।’
‘ঠিক আছে, যা। আমিও একটু পরে আবার বেরুব।’ বড়চাচা বেডরুম থেকে শব্দ করে বললেন।
দরজা বন্ধের শব্দ মিলিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই অনিক পা টিপে টিপে নিঃশব্দে এসে শিহাব ভাইয়ার রুমে ঢুকে গেল। ভাইয়া না থাকায় রুমটা অন্ধকারই থাকে সবসময়। সে ক্যালকুলেটর নিয়ে আবার অন্ধকার করে রেখেছে। সেই অন্ধকারের মধ্যে নিশব্দে দরজাটা আটকে দিয়ে রাখল।
(চলবে)