প্রিন্স আশরাফ
একশত সতেরো.
তখনই অনিকের মনে হলো, সুমি যদি সুইসাইড না করে খুন হয়ে থাকে তাহলে এই রুমেই হয়ে থাকতে পারে, কারণ তার কেন জানি মনে হয় সুমির আত্মহত্যা বা খুন যাই হোক না কেন তার সাথে শিহাব ভাই এবং ভাইয়ার রুমের কোনো ভূমিকা আছে। অনিক অন্ধকারের মধ্যে চোখ সওয়া আলোয় আলমারির কোণ থেকে বের এলো।
বাইরের দরজা খোলা ও বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনে বুঝতে পারল, বড় চাচা বেরিয়ে গেছেন। তারপরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল অনিক। পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে পা টিপে টিপে বেরিয়ে এলো রুমের বাইরে। আলো জে¦লে দিলো। দরজার কাছে গিয়ে টানাটানি করে বুঝতে পারল বাইরের থেকে লক করা হয়েছে। পকেট থেকে মোবাইল বের করে দেখল সাইলেন্ট করা মোবাইলে আম্মু বেশ কয়েকবার কল দিয়েছে। সে কল ব্যাক করেই আম্মুর ঝাড়ি খেল। জানাল, হলোগ্রাফ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছিল বলে কল ধরতে পারছিল না, বিজি করে দিয়েছিল। ্আম্মুর গতানুগতিক খাওয়া দাওয়ার প্রশ্ন শেষ হলে সে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার আসতে কতক্ষণ লাগবে?’
‘দেরি হবে। এখনো ওখানেই আছি।’
‘আর বড় চাচীর?’
‘আরে একসাথেই তো আছি। একই সাথে আসব।’ আম্মু ফোন রেখে দিলেন। (চলবে)
প্রিন্স আশরাফএকশত সতেরো.তখনই অনিকের মনে হলো, সুমি যদি সুইসাইড না করে খুন হয়ে থাকে তাহলে এই রুমেই হয়ে থাকতে পারে, কারণ তার কেন জানি মনে...
