(গত দিনের পর)
সাগর জলে নেমে হিনা এবং সখিরা সবাই ভুলে যায় মৎস্য দেবতার সেই নিষেধের বাণী।
স্নান সেরে সবাই যখন ডাঙায় ওঠে, কেউ আর বাইন মাছের কাটামুণ্ডুটিকে খুঁজে পায় না। সবাই তখন হিনাকে বলে, ‘এ নিয়ে চিন্তা করো না সখি। কাটা মুণ্ডুতে কি জীবন থাকে? দুর ছাই! বাইন মাছের মুণ্ডু। এ নিয়ে এত ভাবনা কিসের। চলো বাড়ি যাই।’
সখিদের সাথে হিনাও নিজ বাড়িতে চলে আসে।
কিন্তু বাইন মাছের মনোবাঞ্ছনা তো আর মিছে হবার নয়। সেই বাইন কুমারের মুণ্ডু থেকেই জন্ম নিয়েছে এই যে এই নারকেল গাছটি। হ্যাঁ গো পর্যটক! এই নারকেল গাছটিই আমার সেই বাইন কুমার। যে কিনা আমার প্রেমে আজ নারকেল গাছ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সাগর তীরে। আর তাই, এ গাছের ডাবের জল এত মিষ্টি।’ জলকন্যা শেষ করে তার কাহিনী। (চলবে)
