একশত আঠারো.

অনিক স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই সব রুমের বাতিগুলো জ্বালিয়ে দিয়ে কাজে নেমে পড়ল। ড্রয়িং ডাইনিং রুমে কিছু পাওয়া যাবে না জানতোই, শিহাব ভাইয়ার রুমেও সুমির কোনো ছবি টবি কোনো ডকুমেন্ট কিছুই পেল না। শুধু ওই রুমে ঢুকলেই কেমন জানি একটা অস্বস্তিকর অনূভুতি হয়, যেন মনে হয় অশরীরী কিছু একটা রুমের মধ্যে বিরাজ করছে। কিছু খুঁজে না পেয়ে অনিক তাড়াতাড়ি রুমের লাইট অফ করে দিয়ে বের হওয়ার সময় তার মনে হলো, রুমের মধ্যে কেউ শ্বাসকষ্টের মতো আওয়াজ করল। কিন্তু সে আর ওই রুমে দ্বিতীয়বার উঁকি দেওয়ার সাহস করল না। চাচা-চাচীর বেডরুমেও জামাকাপড়ের ওয়ারড্রৌব ছাড়া খুঁজে পাওয়ার মতো তেমন কিছুই নেই। তবে চাচার একটা স্টাডি রুমের মতো আছে, ওখানে বইখাতা দলিলপত্র সব রাখা থাকে। কিছু থাকলে সেখানেই থাকতে পারে। অনিক দরজা-বন্ধ স্টাডিরুমের সামনে এলো। একটু চাপ দিতেই দরজা খুলে গেল। স্টাডিরুমের বাতি জ্বেলে খুঁজতে শুরু করল সুমির ছবি। অনেক কাগজপত্র খাতাপত্র দলিলপত্র থাকলেও সুমির ছবির কোনো হদিশ পাওয়া গেল না। এর মধ্যে মসজিদ থেকে মাগরিবের আজান ভেসে এলো।
(চলবে)