(গত দিনের পর)
সাগর কন্যা আরো বলে, দেখছ না হে পরদেশী, কী সুন্দর লিকলিকে বাইন মাছের শরীরের মতোই তরতাজা এই গাছটি। এই গাছের ডাবের পানিও কতই না ঠাণ্ডা, তৃষ্টা নিবারক।
পর্যটক বলেন, ‘দারুণ তো! অবাক করা কাহিনী শুনালে তুমি।’
সাগর কন্যা বলে, ‘কাহিনীর এখানেই শেষ নয়। এর কয়েক বছর পর। তাহিতি দ্বীপে শুরু হয় প্রচণ্ড খরা। আগুনের হলকার মতো বয়ে যাওয়া লু হাওয়ার সেই দিনগুলোতে ঠাণ্ডা পানির হাহাকার পড়ে যায় সমস্ত দ্বীপে। দ্বীপের কোথাও পান করার মতো পানি ছিল না। সব পুকুর ঝরণা ও কুয়ো শুকিয়ে গিয়েছিল। তৃষ্ণায় দ্বীপের পশুপাখি, জীবজন্তু ও মানুষ হাঁসফাঁস করতে থাকে।
সেই খরার মৌসুমে এই নারকেল গাছটিতে প্রচুর ডাব হয়। একদিন দুপুরের ঘটনা বলি। প্রচণ্ড রোদে হিনা তার সখিদের নিয়ে সাগর পাড়ে আসে স্নান করতে। তত দিনে হিনা ভুলেই গেছিল সেই বাইন মাছের কথা। (চলবে)
