একশত উনিশ.
হাল ছেড়ে দিয়ে বেরিয়ে আসবে তখনই মারফি’স লয়ের মতো শেষ একটা ড্রয়ার পেল যাতে ধুলো পড়া একটা সবুজরঙা রেকর্ড ফাইল সুতোবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে।
অনিক রেকর্ড ফাইল বের করে ঝেড়ে ঝুড়ে সুতো খুলল। এই ফাইলটাই সুমির সুইসাইড কেসের ফাইল, ফাইলের উপর দিকে সুমির একটা পাসপোর্ট সাইজের সাদাকালো ছবি থাকলেও ছবিটা প্রায় নষ্টই হয়ে গেছে, অস্পষ্ট, কোন কাজে লাগানো যাবে বলে মনে হয় না। তাও অনিক নিজের স্মার্টফোনের দামী রেজুলেশনের ক্যামেরায় কয়েকটা স্ন্যাপ নিয়ে নিলো। পাতা উল্টাতে গিয়ে একটা জিনিস পেল সেটা কাজে লাগবে কিনা জানে না, তবুও ছবি তুলে রাখল।
সুমির বাড়ির ঠিকানা!
সন্ধ্যের পরপরই প্রতিদিন নিয়ম করে ইলেকট্রিসি চলে যায়। আজও ব্যতিক্রম হলো না। হঠাৎ করেই গোটা ঘর ডুবে গেল ঝুম অন্ধকারে। অনিক এরকম ভয় পেয়ে গেল যে আরেকটু হলে হাত থেকে কাগজপত্রগুলো পড়ে যেতো। মানুষ গভীর ভাবনায় একাগ্রচিত্তে কাজ করতে থাকলে যে চমকায় সেটা কহতব্য নয়।
অনিক কোনোমতে ফাইলটা গুছিয়ে রেখে স্টাডিরুম থেকে বেরিয়ে এলো। বাইরের দরজা বন্ধ। (চলবে)
