একশত বিশ.
চাচা-চাচীর কেউ একজন না আসা পর্যন্ত এই অন্ধকার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। ভাগ্যিস হাতের মোবাইলে পর্যাপ্ত চার্জ আছে। সে মোবাইলের লাইট জ্বেলে চারিদিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিজের ভেতরের ভয়টা তাড়াতে লাগল। তখনই মোবাইলের আলো গিয়ে পড়ল শিহাব ভাইয়ার রুমের দিকে।
অনিক অবাক হয়ে দেখল শিহাব ভাইয়ার রুমের দরজা হাট করে খোলা। অথচ তার স্পষ্ট মনে আছে, সে ওইরুম থেকে বের হওয়ার সময় দরজা টেনে ভালোভাবে বন্ধ করে রেখে এসেছিল। ভয়ে অনিকের বুক দুরু দুরু কাঁপতে লাগল।
সে যে এই এপার্টমেন্টে ঢুকেছিল চোরের মতো, এই প্রমাণ না রাখার জন্য শিহাব ভাইয়ার রুমের দরজা বন্ধ করার জন্য এগিয়ে গেল অনিক। দরজার নবে টান দিতে গিয়ে মনে হলো ওসব থেকে কেউ টেনে ধরে আছে। আর তখনই অন্ধকারের মধ্যে এলো চুল মুখের উপর এলিয়ে দেওয়া মূর্তির মতো কিছু একটা যেন সে দেখতে পেল।
মোবাইলটার টর্চসহ দুদাঁতের ফাঁকে কামড়ে ধরে অনিক শরীরের সমস্ত প্রয়োগ করে দরজা টান দিয়ে যখনই দরজা বন্ধ করতে যাবে তখনই খুট শব্দ করে বাইরের দরজা খোলার শব্দ হলো।
অন্ধকারের মধ্যে জমে গেল অনিক! (চলবে)