একশত একুশ
‘দেখ, কোথায় রেখেছিলি।’ বড়চাচী এলোমেলো পায়ে বেডরুমের দিকে ঢুকে যেতে যেতে নিজের মনেই বললেন, ‘ইদানীং যে আমার কি হয়েছে, সবাইকে ভূত দেখার মতো দেখি, আর চমকে চমকে উঠি। কবে এরকম পিলে চমকে মরে পড়ে থাকব তার ঠিক নেই।’
অনিক শব্দ করে বলল, ‘চাচী, এখানে নেই, মনে হয় আমাদের বাসায় কোথাও আছে। ঠিক আছে, যাই চাচী।’ অনিক শব্দ করে বাইরের দরজা বন্ধ করল।
বাইরে এসে বুক ভরে শ^াস নিল। রাত নেমে গেছে। বারান্দার বাতিগুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন বাসায় ঢুকে মায়ের কাছে একচোট বকুনি খেতে হবে। কিন্তু আম্মু তেমন কিছুই বললেন না, বরং উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বললেন, ‘পাত্রী ফাইনাল করে এলাম। এক্কেবারে পাকা দেখা। তুই তো গেলি না! চব্য-চোষ্য-লেহ্য-পেয় কত কি যে খাওয়াল।’
অনিক অবাক গলায় বলল, ‘চব্য-চোষ্য-লেহ্য-পেয় এগুলো কি খাবার আম্মু? কোন দেশীয় খাবার!’
আম্মু গলা ছেড়ে হেসে বললেন, ‘বঙ্গ দেশীয় খাবার।’ তারপর ছেলের মাথার এলোমেলো চুল আরো এলোমেলো করে দিয়ে বললেন, ‘এখনকার বঙ্গ সন্তানরা বোধ হয় এসব শব্দের সাথে পরিচিতই হয়নি। আরে বুদ্ধ, এগুলো কোনো খাবারই নয়।
(চলবে)
একশত একুশ‘দেখ, কোথায় রেখেছিলি।’ বড়চাচী এলোমেলো পায়ে বেডরুমের দিকে ঢুকে যেতে যেতে নিজের মনেই বললেন, ‘ইদানীং যে আমার কি হয়েছে, সবাইকে ভূত দেখার মতো দেখি,...
