একশত বাইশ.
চব্য মানে যা চিবিয়ে খেতে হয়, চোষ্য মানে যা চুষে খেতে হয়, লেহ্য মানে যা লেহন করে মানে চেটে খেতে হয়, আর পেয় মানে যা পান করে খেতে হয় পানীয়।’
‘ওরে বাবারে, থাক থাক, আর বলতে হবে না, শুনেই তো আমার গা গুলিয়ে উঠছে! তুমি ফ্রেশ হও আম্মু। আমি রুমে গেলাম।’
‘আমি তো গান্ডে-পিন্ডে গিলে এসেছি। তুই সন্ধ্যের নাস্তা কি খাবি?’
অনিক আর গান্ডে-পিন্ডে মানে কি জিজ্ঞেস করার রিস্ক নিল না। কিন্তু সেও মজা করে বলল, ‘চব্য কিছু দাও, নডুলস পাস্তাটাস্তা!’
আম্মু হেসে কিচেনে ঢুকে গেলেন।
নিজের রুমে এসেই অনিকের আর তর সইছিল না খবরটা মানহাকে জানানোর। সে আর অনলাইনের ঝামেলায় না গিয়ে সরাসরি মোবাইলেই কল দিলো। ওপাশ থেকে মানহার উত্তেজিত কণ্ঠ ভেসে এলো, ‘কি খবর? তোমার চাচার রুমে হানা দিতে পেরেছো? কিছু পেলে?’
‘হ্যাঁ, হানা দিয়েছিলাম। আরেকটু হলে ধরা পড়ে যেতাম আর কি! বুদ্ধি করে বেরিয়ে এসেছি। যাই হোক, শোন, দুটো জিনিস পেয়েছি, একটা ছবি কিন্তু খুবই ঝাপসা, আবছা, নষ্টই বলা যেতে পারে।’(চলবে)
