একশত তেইশ.
ওপাশে মানহা একটু দমে গেল মনে হয়, ‘এটা কোনোভাবে ডিজিটালি রিকভারি করা যাবে না?’
‘মনে হয় না, তবে তুমি যে কথাটা বলেছিলে ওটা পেয়েছি।’
‘মানে? কি কথা?’
‘ওই যে বললে না বাবা-মার কাছে মেয়ের ছবি না থেকে পারে না, সেই বাবার মার ঠিকানা পেয়েছি।’
মানহা উত্তেজিত গলায় বলল, ‘তাহলেই তো হয়েছে। চলো, আমরা সুমির বাবা-মার সাথে দেখা করে আসি।’
‘কিন্তু ঠিকানা তো ঢাকার না। গাজীপুরের দিকের।’
‘কোনো অসুবিধে নেই। ছুটির দিনে রাস্তা ফাঁকা থাকে, দিনের দিন গিয়ে ফিরে আসা যাবে।’
‘মানে? তুমি গাজীপুরে যাওয়ার কথা ভাবছ!’
মানহা এবার ইতস্তত করল, ‘ঠিক তা নয়, তবে কোনো একটা ব্যবস্থা করা যায় কিনা ভাবছি! আমার মনে হয় এ নিয়ে পরে কথা বলা যাবে। আম্মু ডাকছে। রাখছি।’
মানহার যাওয়ার ব্যাপারে দ্বিধা থাকলেও ব্যাপারটা অনিকের মাথায় ঢুকে গেল। এখন কোনো বুদ্ধি করে আম্মুর কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গাজীপুরে যাওয়া যায় কিনা সেটাই ভাবতে লাগল। সেতু বা তামিমের বাসায় যাওয়ার কথা বললে আম্মু খুব একটা রাগ করবে না, তবে সে ক্ষেত্রে আগে ওদের সাথে কথা বলে হাত করে নিতে হবে। (চলবে)
