একশত চব্বিশ.
এবং সেটা করতে গেলে অনলাইনে বা ফোনে হবে না, সরাসরি ওদের সাথে কথা বলতে হবে। আচ্ছা, হলোগ্রাফিক ইমেজে কথা বলে দেখা যায় কিনা! যেভাবে সুমির কথা মানহার হলোগ্রাফিক ইমেজ জেনেছে এবং সেটা মানহাও জেনেছে।
‘অ্যাই, বসে বসে কি এত ভাবছিস? এই নে, তোর চব্য নিয়ে এসেছি।’ আম্মু গরম গরম বাটি ভর্তি নুডুলস আর সস এগিয়ে দিলেন।
অনিক নুডুলস কাটা চামচে পাকাতে পাকাতে বলল, ‘আম্মু, বন্ধুরা মিলে এক দিনের জন্য মানে সারা দিনের জন্য যদি কোথাও একটু ঘুরি তাহলে কি যেতে পারব?’
‘বন্ধুরা মানে কারা? আর কোথায় যাবি?’ আম্মু সন্ধিগ্ধ গলায় বললেন।
‘ওই তো তামিম আর সেতু। তেমন কোথাও না আম্মু। হয়তো কোনো পার্কে টার্কে, বাইরেই খাওয়া দাওয়া করলাম, এখনো ঠিক হয়নি।’
‘চান্দা কত?’
আম্মুর গলা শুনে অনিক হেসে ফেলল, বুঝতে পারল আম্মু অনুমতি দিয়ে বসেই আছে, তবে আম্মু অনুমতি দিলেও ভেতরে ভেতরে যে গোয়েন্দাগিরি করবে সে অনিক ভালো করেই জানে। ‘এখনো ঠিক হয়নি। হাজার খানেক দিলেই মনে হয় হবে।’
‘ঠিক আছে। যাওয়ার আগে জানাস। আর টাকা আগেই লাগলে নিয়ে রাখিস।’
(চলবে)
একশত চব্বিশ.এবং সেটা করতে গেলে অনলাইনে বা ফোনে হবে না, সরাসরি ওদের সাথে কথা বলতে হবে। আচ্ছা, হলোগ্রাফিক ইমেজে কথা বলে দেখা যায় কিনা! যেভাবে...
