একশত পঁচিশ.
রাত গভীর হলে অনিক হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর অন করে দিলো। এখন সবকিছুই সহজ হয়ে গেছে। সে একে একে মানহার, সেতুর, তামিমের এবং তার নিজের ছবি প্রজেক্টরে ইনপুটি দিয়ে চালিয়ে রাখল। রাত ঠিক বারোটার সময় ওইজা বোর্ডে হাত রেখে সুমির আত্মাকে আহবান করল। বাটনে ইয়েসে গেলে হাত সরিয়ে নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল। সে চাইছে হলোগ্রাফিক ছবির সাথে সুমির আত্মার মিট-আপ হোক, যাতে করে ওরা নিজেরা বাতচিৎ করে নিতে পারে। হলোগ্রাফিক ইমেজগুলো খুব সহজেই এলো। চারজন মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে রইল ঘরের অন্ধকারের মধ্যে। কিন্তু ওইজা বোর্ডে আত্মা ইয়েস বাটনে থাকলেও সুমির কোনো দেখা নেই। আর কোনো এক বিচিত্র কারণে হলোগ্রাফিক ইমেজগুলো মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। নট নড়ন চড়ন স্ট্যাচু। অনিকের মনে হলো, সেটাই তো হওয়ার কথা। বিজ্ঞানের হিসাব মতে, হলোগ্রাফিক এই ইমেজগুলো নড়াচড়া করার কথা নয়, একটা স্থির ছবি প্রজেক্টর দিয়ে দেয়ালে প্রক্ষেপণ করলে তা দেয়ালে সেভাবে থাকে, যদি নড়তে চড়তে শুরু করে তাহলেই ব্যাপারটা ভৌতিক হয়ে ওঠে। হঠাৎ করে অনিকের মাথায় ব্যাপারটা ঝিলিক দিয়ে গেল। (চলবে)