(গত দিনের পর)
কৌতূহলবশত হাত বাড়িয়ে পেন্সিলটা নেয় পিন্টি। আর তখনই ময়ূর পাখিটা নেচে নেচে চলে যায়, দূরে বন-বনানীর আড়ালে।
পিন্টি ড্রয়িং পেন্সিলটা নেড়ে চেড়ে দেখে। তার খুব ভালো লেগে যায় পেন্সিলটা। এত সুন্দর পেন্সিল। হাত বাড়িয়ে টেবিল থেকে একটি ড্রয়িং শিট নিয়ে বসে যায় ছবি আঁকার কাজে। আগামীকাল ম্যাডাম সবাইকে ছবি এঁকে নিয়ে যেতে বলেছেন। দেখিতো আঁকা যায় কিনা ছবিটা।
পিন্টি প্রথমে একটি ছোট্ট বৃত্ত আঁকে। ময়ূরের মাথা আঁকতে চায় সে। কিন্তু নাহ্, হলো না। ময়ূরের মাথা হলো না এটা। আবার চেষ্টা করে। এবারও হলো না। বিরক্তিতে ভরে যায় তার মন। ‘নাহ্, এ কাজ আমার না’- এ কথা বলে টেবিল থেকে উঠে যাবে, এমন সময় পিন্টির আঁকা ওই ময়ূরের মাথাটি বলে ওঠে, ‘কি হলো পিন্টি? আমাকে এভাবে ফেলে রেখে যাচ্ছ কেন? আগে আমাকে আঁকা শেষ করো। অন্ততঃপক্ষে, আমার চোখ দুটো এঁকে দাও। (চলবে)