একশত ছাব্বিশ.
তাহলে কি হলোগ্রাফিক ইমেজগুলোতে সুমির আত্মার উপস্থিতিতে ভূতে ভর করে?
হঠাৎ করে ওইজা বোর্ডের বাটন সরে গিয়ে ইয়েস ঘরে গেলেও অনিক আর ভয় পেয়ে চমকে উঠল না, বরং যেন এরই প্রতীক্ষা করছিল সে। ইয়েস বাটনে যাওয়ার পরে অনিক ঘরের কোণে কোণে সুমিকে খুঁজতে লাগল। কিন্তু ঘরের কোণে কোণে না পাওয়া গেলেও সুমিকে দেখা গেল হলোগ্রাফিক ইমেজগুলোর ধারে কাছে। মানহার ইমেজের সাথে সুমির ভৌতিক অবয়ব যেন কিছু একটা বলতে চাইছে। তার নিজের ইমেজও নড়াচড়া করে সুমি ও মানহার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। তামিম আর সেতুর ইমেজ পাশে দাঁড়িয়ে ওদের কথোপকথন শুনছে। অনিকের ইমেজ পাশে যেতেই সুমি আর মানহার কথোপকথন হয় বন্ধ হয়ে গেল, না হলে ওরা কি বলছে তা সে শুনতে পেল না, শুধু এইটুকু বুঝতে পারছে মানহা সুমির সাথে মিলে কোনো একটা ষড়যন্ত্র করছে।
আর তখনি বন্ধ ঘরের দরজায় দড়াম দড়াম করে শব্দ হতে লাগল।
ভয়ে আতঙ্কে অনিক কেঁপে উঠল!
‘তোকে কতবার না বলেছি ঘরের দরজা বন্ধ করে দিবি না। খোল তাড়াতাড়ি।’
আম্মুর গলা শুনে অনিকের ধড়ে প্রাণ এলো। সে নিজেকে একটু সামলে নিয়ে তাড়াতাড়ি ওইজা বোর্ডটা খাটের তলার ঢুকিয়ে দিলো। (চলবে)