একশত ছাব্বিশ.

হলোগ্রাফিক নিয়ে আম্মুর কোনো সমস্যা নেই বলে ওটা আর বন্ধ করল না। ‘আম্মু, একটু দাঁড়াও, খুলছি।’
অনিক এক লাফে দরজার কাছে চলে এলো। ইয়েল লকের দরজায় এক মোচড় দিতেই খুলে গেল। আম্মু মোবাইল হাতে হুড়মুড় করে ঢুকে পড়লেন ঘরের ভেতরে। অনিক শঙ্কিত বোধ করতে লাগল। হঠাৎ হঠাৎ রাত বিরাতে এসে রুমে হানা দিয়ে গোয়েন্দাগিরি করা আম্মুর পুরানো স্বভাব। কিন্তু আম্মু কোনোরকম গোয়েন্দাগিরির দিকে না গিয়ে আম্মুর মোবাইল অনিকের হাতে দিয়ে বলল, ‘নে, ধর, তোর বাবা ভিডিও কল দিয়েছে। আমার সাথেই কথা বলছিল, হঠাৎ করে কি একটা জরুরি কথা মনে পড়ায় তোকে দিতে বলল। বলল, খুবই জরুরি। এখনই বলতে হবে।’
অনিক আম্মুর হাত থেকে মোবাইল নিয়ে ভিডিও চ্যাট অপশনে এলো, আব্বুর ওখানে এখন দিনের আলো। অনিক আম্মুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আম্মু, তুমি কি এখানে দাঁড়িয়ে কথা শুনবে নাকি? যাও, আমি কথা শেষ হলে মোবাইল তোমার ঘরে দিয়ে আসছি।’
‘বাপ-ছেলের কি এমন জরুরি কথা আমাকে বলা যাবে না, কথা শেষ হলে আমাকে জানাস।’ আম্মু দরজা হাট করে খোলা রেখে বলল, ‘আর দরজা খোলাই রাখো।’ (চলবে)