একশত সাতাশ.
আম্মু চলে যেতেই অনিক বাবার দিকে মনোযোগী হলো। বাবাও মনে হয় এতক্ষণ মা ছেলের কর্মকাণ্ডে সুদূর বিদেশ থেকে মজা পাচ্ছিলেন। অনিকের সাথে কথা হতেই তিনি বললেন, ‘শোন, তোকে একটা বিশেষ ব্যাপার জানাব বলেই এত রাতে কথা বলতে চেয়েছি। না হলে পরে হয়তো আমার মনে থাকবে না। তুই কি ঘুমিয়ে পড়িছিলি নাকি?’
‘না, হলোগ্রাফিক প্রজেক্টরে ছবি বানাচ্ছিলাম।’ অনিক বাবাকে সত্যি কথাটাই বলল।
বাবা একটু সন্ধিগ্ন স্বরে বললেন, ‘শোন, জরুরি কথাটা ওই হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর নিয়েই। সেদিন হাতাশি হঠাৎ আমাকে ডেকে বলল, ‘ওই যন্ত্রটা সে ঠিকঠাক বানাতে পারিনি, ওতে সমস্যা আছে।’
‘মানে?’ অনিক অবাক হলো। হলোগ্রাফিক তো তার কাছে ভালোই কাজ করছে।
‘মানে হলো আমাদের ভাষায় ম্যালফ্যাংশানিং অর্থ ওর যে কাজ করার কথা নয়, সেরকম কম বেশি কিছু একটা করতে পারে। হাতাশির কথা আমি নিজেও খুব ভালো বুঝিনি। ও আমাকে যা বুঝিয়ে বলল, তাতে মনে হলো যন্ত্রটা আর ব্যবহার না করতেই পরামর্শ দিচ্ছে। মনে হয় বলতে চাইছিল মেশিনটার মধ্যে হরিফিক একটা ব্যাপার স্যাপার হতে পারে।’
(চলবে)
