একশত আটাশ.

অনিক ঢোঁক গিলল, ‘মানে কি ভৌতিক ব্যাপার?’
‘ধুর, তা হবে কেন? বৈজ্ঞানিকদের কাছে ভৌতিক ব্যাপার বলে কিছু আছে নাকি। আমার মনে হয়, হাতাশি বলতে চেয়েছিল, যন্ত্রটার গঠনে কোনো ত্রুটি আছে, যে কারণে ম্যালফ্যাংশান হয়ে ছবিটবিগুলো অস্বাভাবিক দেখাতে পারে, হয়তো সেটাই ও হরিফিক বুঝিয়েছে।’
অনিক ইতস্তত করতে লাগল, বাবাকে সুমি আর হলোগ্রাফিক স্থির ছবি নড়াচড়া করার কথা বলবে কিনা ভাবছিল, তারপর না বলার সিদ্ধান্ত নিল। বাবাকে বললে বাবা মাকে বলবে, মা চাচীকে, তখন তাদের সব প্ল্যানই মাঠে মারা যাবে।
বাবা বোধ হয় কথোপকথন শেষ করতে চাইছিলেন, তাড়াতাড়ি বললেন, ‘শোন, তুই আপাতত ওই হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর নিয়ে আর মাতিস না। হাতাশি বলেছে ওটা নষ্ট করে ফেলতে, ও যখন সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত যন্ত্র বানাবে তখন তোকে আরেকটা পাঠাব, না হলে আমি আসার সময় নিয়ে আসব, ঠিক আছে? এখন শোন, নষ্ট করার দরকার নেই, থাকুক জিনিসটা। শুধু আর ব্যবহার করার দরকার নেই। ওকে?’
কিন্তু অনিকের কাছে ব্যাপারটা ‘ওকে’ মনে হলো না। বাবার বন্ধু হাতাশি যা বলেছে তাই ঠিক মনে হলো, যন্ত্রটা ম্যালফ্যাংশান হয়ে ভৌতিক কাজ করছে, না হলে স্থির ছবি নড়বে কেন?
(চলবে)