একশত উনত্রিশ.
আজ পর্যন্ত কোনো স্টিল ক্যামেরার ছবি কি অটোমেটিক ভিডিও হয়ে গেছে?
বাবার সাথে কথা শেষ করে নিজের রুমে এসে অনিকের ভয় যেন আরো বেড়ে গেল। অজানা জিনিসের ভয় একরকম আর জানা জিনিসের ভয় অন্যরকম। কোনো বাড়িতে গিয়ে ভূতের ভয় পেলে এক কথা আর যদি জানা যায় সত্যিই বাড়িতে ভূত আছে তাহলে অন্য কথা!
বিয়ে খুব মজার জিনিস। কথায় বলে লাখ কথা খরচ না হলে বিয়ে হয় না। অনিকের মনে হয় লাখ লাখ টাকা খরচ না হলে বিয়ে হয় না। আর তাই চাচীসহ গোটা ফ্যামিলির লোকজন এখন লাখ লাখ খরচ করে বিয়ের জিনিস কেনাকেটায় ব্যস্ত। এই বেনারসি পল্লীতে শাড়ি কিনছে তো এলিফ্যান্ট রোডে শেরওয়ানী। অনিক এসবের সাতেপাঁচে নেই। আম্মু মহিলা মহলের সাথে কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকায় অনিকের সারাদিন নিয়ে তেমন কোনো মাথা ব্যথা নেই, ডাইনিংএ আর ফ্রিজে খাবার রেখেই সকাল সকাল সেজেগুজে চাচীদের সাথে বেরিয়ে পড়েন। অনিক গোটা দিনে বাড়িতে একা। আর এই একাকিত্বের সুযোগটাই সে কাজে লাগাতে লাগল।
হলোগ্রাফিক প্রজেক্টরের ম্যালফ্যাংশানে ভুতুড়ে কর্মকাণ্ডের কথাটা মানহাকে সরাসরি বলার জন্য ছটফট করছিল। এদিকে সেতু আর তামিমের সাথেও সুমির বাবা-মার খোঁজে যাওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে পরিকল্পনা করা দরকার। (চলবে)