বলছি কোয়ালার কথা। এটি মারসুপিয়ালিয়া বর্গের বৃক্ষবাসী
স্তন্যপায়ী প্রাণী। কোয়ালা কোন দেশের স্থানীয় প্রাণী? অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় প্রাণী।
কোয়ালা দেখতে অনেকটা ছোট আকারের ভালুকের মতো। তাই এদেরকে কোয়ালা ভালুকও বলা হয়, যদিও ভালুকের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Phascolarctos cinereus.
মাথা বেশ বড়। পা যথেষ্ট লম্বা ও পেশিবহুল। দেহের দৈর্ঘ্য ৬৯ থেকে ৭৯ সেন্টিমিটার। ওজন পাঁচ থেকে ১২ কেজি। পুরুষ কোয়ালা সাধারণত স্ত্রী কোয়ালার চেয়ে আকারে বড় হয়। কোয়ালার লোমের দৈর্ঘ্য ও রঙ বসবাস স্থানের ওপর নির্ভর করে। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাংশে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বসবাসকারী কোয়ালার লোম লম্বা হয়। এদের লোমের রঙ ধূসর বাদামি। উত্তরাংশের উষ্ণ আবহাওয়ায় কোয়ালার লোম খাটো এবং উজ্জ্বল ধূসর রঙের হয়। পরিণত পুরুষ কোয়ালার বুকে একটি ঘ্রাণগ্রন্থি রয়েছে। এ গ্রন্থি থেকে এক ধরনের পদার্থ নিঃসৃত হয়, যা দেহের লোম ভিজিয়ে রাখে। মারসুপিয়ালদের বৈশিষ্ট্যানুসারে স্ত্রী কোয়ালারও পেটে থলি রয়েছে। এ থলিতে বাচ্চারা জন্মগ্রহণের পর সাত মাস অবস্থান করে। অবাক কাণ্ড, তাই না?