একশত একত্রিশ.
সুমির বাবা-মায়ের ঠিকানা অনিকের কাছে। কিন্তু বাইরের দুনিয়া সমন্ধে অনিকের ধারণা খুবই কম, ওর কাছে গাজীপুরও যা, কুমিল্লাও তা। অনিক ইতস্তত করে ঠিকানা লেখা কাগজটা সেতুর হাতে দিয়ে বলল, ‘দেখ তো, আমাদের কোন জায়গায় নামতে হবে?’
চান্দনা চৌরাস্তা বলে একটা জায়গার ঠিকানা, সেতুও যে চেনে তা নয়, কিন্তু মুখ থাকলে চিনে নিতে কতক্ষণ। সে কন্ডাক্টরকে ডেকে জায়গাটার কথা জিজ্ঞেস করে বলল, ‘আমাদের ওখানে নামিয়ে দেবেন।’
‘চৌরাস্তায় গাড়ি দাঁড়াইব! আপনারা নাইম্যা জাইয়েন। আমি ডাক দিমুনে।’
চৌরাস্তায় নেমে সবাই বোকার মতো একে অন্যের দিকে তাকাল। সেতুই একটা চা-দোকানের সামনে ওদের নিয়ে গেল, ‘আয়, এখান থেকে চা খেয়ে তারপর জিজ্ঞেস করে দেখি।’
অনিক কখনো এরকম বাইরের দোকানের নোংরা পানি দিয়ে কাপ ধোয়া চা খায়নি, খায়নি মানহাও। কিন্তু সেতু আর তামিমের ভাবভঙ্গির কাছে পরাজয় মেনে না খাওয়ার কথা কিছু অ্যাডভেঞ্চারের মতো মনে হলো।
চা পান করতে করতেই দোকানির কাছ থেকে ঠিকানাটা ঠিকঠাক জেনে নিল। গার্মেন্টসের এই শহরে একটা গার্মেন্টেসের পাশের গলি ধরে এগিয়ে গেলে একটা বস্তি টাইপ টিনশেড কলোনি। ঠিকানাটা ওই কলোনির।
(চলবে)
একশত একত্রিশ.সুমির বাবা-মায়ের ঠিকানা অনিকের কাছে। কিন্তু বাইরের দুনিয়া সমন্ধে অনিকের ধারণা খুবই কম, ওর কাছে গাজীপুরও যা, কুমিল্লাও তা। অনিক ইতস্তত করে ঠিকানা লেখা...
