একশত তেত্রিশ.

বিপদ থেকে রক্ষা করল সেতু। ‘চাচা, আমরা একটা ডকুমেন্টারির প্রজেক্ট করছি, আমাদের স্কুলের অ্যাসাইনমেন্টের কাজে। সেখানে যেসব গৃহপরিচারিকা নির্যাতিত, নিপীড়িত, আত্মহত্যা বা হত্যা এসব হয়েছে তাদের একটা ফিচার করতে হচ্ছে। আর সেখানেই সুমির ছবিটা দরকার।’
বাবা-মা কি বুঝল কে জানে, দু’জনেই মাথা উপর নিচু করে বলল, ‘ও আচ্ছা, আচ্ছা। কিন্তু কোনো ছবি তো নেই। তোমরা এমনতিতে যা জিজ্ঞেস করতে চাও করতে পারো, আমরা বলব।’
কিন্তু ওদের জিজ্ঞেস করার মতো কিছু ছিল না। তবুও সেতু বলেছে বলে অ্যাসাইনমেন্টের জন্য মোবাইলের রেকর্ড অপশনে গিয়ে কিছু কথাবার্তা রেকর্ড করতে লাগল। তারপর কাজ শেষ করে দুপুরে চারটি ডাল-ভাত মুখে দেওয়ার আন্তরিক আমন্ত্রণকে কোনোমতে না না করে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় করল। বাইরে ওরা দুপুরের খাবার খাবে ঠিকই। কিন্তু কোনো একটা ভালো রেস্টুরেন্টে এসির হাওয়ায় বসে। তারপর সাফারি পার্ক টার্ক কিছু একটা দেখে ফেরা যায় কিনা ুসেই পরিকল্পনা করল।
বিপদ থেকে রক্ষা করল সেতু। ‘চাচা, আমরা একটা ডকুমেন্টারির প্রজেক্ট করছি, আমাদের স্কুলের অ্যাসাইনমেন্টের কাজে। (চলবে)