একশত চৌত্রিশ.
সেখানে যেসব গৃহপরিচারিকা নির্যাতিত, নিপীড়িত, আত্হত্যা বা হত্যা এসব হয়েছে তাদের একটা ফিচার করতে হচ্ছে। আর সেখানেই সুমির ছবিটা দরকার।’
বাবা-মা কি বুঝল কে জানে, দুজনেই মাথা উপর নিচু করে বলল, ‘ও আচ্ছা, আচ্ছা। কিন্তু কোনো ছবি তো নেই। তোমরা এমনতিতে যা জিজ্ঞেস করতে চাও করতে পার, আমরা বলব।’
কিন্তু ওদের জিজ্ঞেস করার মতো কিছু ছিল না। তবুও সেতু বলেছে বলে এ্যাসাইনমেন্টের জন্য মোবাইলের রেকর্ড অপশনে গিয়ে কিছু কথাবার্তা রেকর্ড করতে লাগল। তারপর কাজ শেষ করে দুপুরে চারটি ডাল-ভাত মুখে দেওয়ার আন্তরিক আমন্ত্রণকে কোনোমতে না না করে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় করল। বাইরে ওরা দুপুরের খাবার খাবে ঠিকই। কিন্তু কোনো একটা ভালো রেস্টুরেন্টে এসির হাওয়ায় বসে। তারপর সাফারি পার্ক টার্ক কিছু একটা দেখে ফেরা যায় কিনা সেই পরিকল্পনা করল।
ওরা যখন বেরিয়ে যাওয়ার জন্য তোড়জোড় করছিল তখনই পেছন থেকে রিনরিনে গলায় সুমির বছর দশ এগারো বছরের বোন রুমি পেছন থেকে ডেকে বলল, ‘বাবা, আপুর একটা ছবি কিন্তু আছে আমাদের কাছে।’
(চলবে)