বলছি অ্যাতিতলান হ্রদের কথা। এর অবস্থান মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়েতেমালায় । প্রকৃতি গুয়েতেমালার উচ্চ ভূমিকে দিয়েছে অসীম মায়াময়তা। এ ভূমির রূপসী কন্যা অ্যাতিতলান হ্রদ। আহা! বড় দৃষ্টিকাড়ানিয়া তার রূপ।
মধ্য আমেরিকার গভীরতম হ্রদ অ্যাতিতলান। সর্বোচ্চ গভীরতা ৩৪০ মিটার। এটি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর হ্রদগুলোর একটি। শুধু হ্রদের মায়াময় প্রকৃতি নয়, এর তীরের জনবসতিও একে করেছে বৈশিষ্ট্যম-িত। হ্রদ তীরের শহর ও গ্রামগুলোয় বাস করে আমেরিকান দেশজ মায়া জনগোষ্ঠীর মানুষ। অ্যান্টিগুয়া শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের এই হ্রদের স্থানে একসময় ছিল অগ্নিগিরি, পণ্ডিতদের অভিমত এমনই। প্রায় ৮৪ হাজার বছর আগে হ্রদটি গঠিত হয়।

অ্যাতিতলান হ্রদ মানুষের নির্মল আনন্দের এক অপার উৎস। চার দিকের উচ্চ ভূমির রূপময়তা এ হ্রদকে করেছে আরো সৌন্দর্যম-িত।
হ্রদ-অববাহিকা বেশ উর্বর- শস্যশ্যামলা। এখানে বেশ শস্য ফলে। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্যের মধ্যে রয়েছে পেঁয়াজ, শিম, কমলালেবু ও লেবুজাতীয় ফল। এ ছাড়া এখানে উৎপন্ন হয় শসা, রসুন, ঝাল, স্ট্রবেরি, আভোকাদো ও পিতাহায়া ফল।
সাগরসমতল থেকে অ্যাতিতলান হ্রদের উচ্চতা প্রায় এক হাজার ৫৬২ মিটার (৫ হাজার ১২৫ ফুট)। আয়তন প্রায় ১৩০ দশমিক এক বর্গকিলোমিটার। হ্রদটি অসাধারণ সৌন্দর্যমণ্ডিত হলে কী হবে, বৃত্তাকারে এটি পরিদর্শনের জন্য কোনো রাস্তা নেই। তবে পর্বতমালা থেকে নৌকায় বা সড়কপথে পৌঁছা যায়। এ হ্রদ পরিদর্শন এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।