একশত পঁয়ত্রিশ.
সবাই চমকে উঠল। বাবা মাও অবাক হলো। বাসায় সুমির ছবি আছে অথচ তারা জানে না। অনিকরা আবার উঠে যাওয়া থেকে বিরত থেকে নড়েচড়ে বসল। অনিক আগ্রহী গলায় বলল, ‘কই? কোথায় সেই ছবি?’
বাবা বলল, ‘কোনো ছবি আছে তা তো আমরা জানিই না।’
জানা গেল, সুমি একবার বাড়ি এসে চুপি চুপি নিজের ুটাকা দিয়ে স্টুডিওতে গিয়ে দুই বোনকে সাথে নিয়ে একটা ছবি তুলে এনেছিল। ছবিটা রুমির কাছে সযতেœ রাখা আছে। বাবা বলতেই রুমি তার নিজের ছোট্ট জগতের বক্স থেকে ছবিটা নিয়ে এলো। স্টুডিও গাছপালার ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা তিন বোনের ছবি। সুমি মাঝখানে দাঁড়িয়েছে। দুবোনের মুখ হাসি হাসি হলেও সুমির মুখ বিষণœ।
রুমি ছবিটা অনিকের হাতে তুলে দিতে দিতে বলল, ‘ছবিটা দেখতে পারেন কিন্তু আমি কিন্তু নিতে দেবো না।’
মানহা তাড়াতাড়ি বলল, ‘না, না, তোমার ছবি আমরা নেবো না। তোমার ছবি তোমারই থাকবে। আমরা শুধু একটু দেখব।’
রুমি ছবিটা দিলে ওরা চারজনই ছবির উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল। এই ছবিটা বাবা-মাও দেখেনি। এতদিন পরে মেয়ের কথা শুনে যতটা অশ্রুসিক্ত হয়েছিল, মেয়ের ছবি দেখে সেই কান্না বাঁধ ভেঙে গেল। একশ কথার চেয়ে একটা ছবি বেশি আবেদন রাখে!
(চলবে)
একশত পঁয়ত্রিশ.সবাই চমকে উঠল। বাবা মাও অবাক হলো। বাসায় সুমির ছবি আছে অথচ তারা জানে না। অনিকরা আবার উঠে যাওয়া থেকে বিরত থেকে নড়েচড়ে বসল।...
