একশত সাইত্রিশ.
গানটা শুনতে শুনতে অনিকের কান ঝালপালা হয়ে গেছে, গানের কথার মতো ‘কাইট্টা রাখব কান’ এর মতো অনিকেরও মনে হয় কান কেটে ফেলার সময় হয়েছে।
বড় চাচা-চাচীর কাছ থেকে অনিক নিজের থেকে নিজের বন্ধু বান্ধবের দাওয়াতের কোটা পেয়েছে পাঁচজনের। অনিক অবশ্য শুধু মানহা, সেতু আর তামিমকেই নিমন্ত্রণ করল এবং ওরা যাতে অবশ্যই আসে সেভাবেই দাওয়াত দিলো। কারণ বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে হলোগ্রাফিক প্রজেক্টরের সুমির ছবি প্রজেক্ট করা হবে। ওদের আগ্রহের কারণও সেটাই। এমনিতে সাধারণ বিয়ের অনুষ্ঠান হলে মানহা তেমন কোন আগ্রহ দেখাত না। সেতু আর তামিমের কথা আলাদা, ভালো খাওয়া দাওয়া-এরকম কোনো অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেলে ওরা ছাড় দেয় না!
বর পক্ষের জন্য আলাদা রঙের পাঞ্জাবি, কনে পক্ষের অন্যরঙের সাথে পাঞ্জাবির রঙের ওড়না। অনিক সেতু আর তামিমকে বলে দিয়েছিল, রঙের কথাটা বলে দিয়েছিল মানহাকেও। অনিক নিজেও পরেছে বরপক্ষের গাঢ় সবুজ রঙের শেরয়ানি টাইপের পাঞ্জাবি ও ওড়না।
বিয়ে পড়ানো, আনুষ্ঠানিকতা, নাচাগানা, ফটোসেশন, তারপর ব্যাচ করে করে খাওয়া দাওয়া হতে হতে প্রায় মাঝরাত চলে এলো। (চলবে)
একশত সাইত্রিশ.গানটা শুনতে শুনতে অনিকের কান ঝালপালা হয়ে গেছে, গানের কথার মতো ‘কাইট্টা রাখব কান’ এর মতো অনিকেরও মনে হয় কান কেটে ফেলার সময় হয়েছে।বড়...
