একশত আটত্রিশ.

অনিকও চাইছিল মাঝরাত হোক, কারণ হলোগ্রাফিকে সুমির যদি অলৌকিক কিছু হয় তাহলে মাঝরাতেই হবে।
হলোগ্রাফিক ব্যাপারটার এরকম প্রচার হয়েছে যে লোকজন যেন অদ্ভুত কিছু দেখার জন্য শিকড় গজিয়ে গেছে। ছেলে ছোকড়ারা তো আছেই, বয়স্ক লোকজনও অপেক্ষা করছে নতুন কিছু দেখার। অনিক বিয়ের স্টেজের পাশেই হলোগ্রাফিক প্রজেক্টর সেট করল। বিয়ের বর কনে তো আছেই, বড়চাচা-চাচীসহ অন্যরাও এসে বসেছে ব্যাপারটা কি দেখার জন্য। অনিকের অনুরোধে ছাদের লাইট অফ করে দেওয়া হলো কিছুক্ষণের জন্য, এমনকি কেউ মোবাইলের আলোও জ¦ালবে না। অনিক প্রথমেই বড়চাচা-চাচীকে অবাক করে দেওয়ার জন্য চাচা-চাচীর ছবি প্রজেক্টরে দিলো। চাচা-চাচী নিজের হলোগ্রাফিক ছবি দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল, একদম জীবন্ত মানুষের মতো অথচ ভূতের মতো। কিন্তু লোকজন এসব বয়স্ক লোকের হলোগ্রাফে দেখতে চায় না, বর-বউকে দেখতে চায়।
সবাই বর-বউ বর-বউ বলে গুঞ্জন তুললে অনিক প্রথমে শিহাব ভাইয়ের একক ছবি দিলো, তারপর দিলো ভাবীর একক ছবি, তারপর বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে পাওয়া সদ্য তোলা বর-বউয়ের ছবি দিলো প্রজেক্টরে। (চলবে)